পরীক্ষামূলক প্রকাশনা - সাইট নির্মাণাধীন

Home > সারাবাংলা > মৃত্যুও রুখতে পারছে না পাহাড়ে বসবাস!

মৃত্যুও রুখতে পারছে না পাহাড়ে বসবাস!

ডেস্ক : বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে মৃত্যুর তালিকা দীর্ঘ হলেও উচ্ছেদ করা যাচ্ছে না চট্টগ্রামের পাহাড়গুলোর ঝুঁকিপূর্ণ বসতি। প্রভাবশালীদের মদদে দিনদিন বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীর সংখ্যা। এদিকে দখলদারদের বিরুদ্ধে সারা বছর চুপ থাকলেও বর্ষা মৌসুমে শুধু মাইকিং আর নির্দেশনা দিয়েই দায় সারছে প্রশাসন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস বৃষ্টি হলেই সবাই পাহাড় ধসের শঙ্কায় থাকে।প্রাণ হারান পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বসবাসকারীরা। কিন্তু যাদের নিয়ে প্রশাসনের এ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তারা ঝড়-বৃষ্টি সব দুর্যোগে অবস্থান করছেন সেই ঝুঁকিপূর্ণ বসতিতেই। সতর্কবার্তা বা নির্দেশনা কোনো কিছুতেই টনক নড়ছে না তাদের।

পাহাড়ে বসবাস করা পরিবারগুলোর অভিযোগ, পাহাড় ধসের সময় ঘর ছেড়ে চলে গেলে এক ধরণের মানুষ এসে ঘরবাড়ি লুট করে নিয়ে যায়। তাই পাহাড় ধস হলেও তারা ঘর ছাড়ে না।

প্রশাসনের তথ্য মতে নগরীতে ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি পাহাড়ে বসবাস করে ৬৮৪টি পরিবার। কিন্তু এর প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি। দশ বছরে নগরীতে অন্তত ২৪০ জন মারা গেছেন পাহাড় ধসে। চলতি বছর নগরীর বাইরে সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুর, রাঙ্গুনিয়া ও চন্দনাইশে মারা গেছেন ৪২ জন। পাহাড় ধসে নিহত ২০০৭ সালে ১২৭ জন, ২০০৮ সালে ১২ , ২০০৯ সালে ০৮, ২০১০ সালে ০৭, ২০১১ সালে ১৭, ২০১২ সালে ১৮, ২০১৩ সালে ০৩ ও ২০১৫ সালে ০৬ জন।

তবে এসব বিষয় দেখভাল করতে আছে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটি। আছে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের তালিকাও। কিন্তু এদের উচ্ছেদে খুব বেশি উদ্যোগ নেই। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালীদের আশ্রয়েই চলে পাহাড়ে দখলবাজি।

এ সম্পর্কে নগর পরিকল্পনাবিদ দেলোয়ার মজুমদার বলেন, পাহাড়ে যাদের বসবাস তাদের জন্য স্বল্প ভাড়ার বাড়ির ব্যবস্থা করে দিতে হবে। আর দখলদারদের উপরে নজর দিতে হবে যাতে কোনভাবেই প্রভাব দেখিয়ে পাহাড় দখল করতে না পারে।’

তবে অন্যবছরের মতো এবারও পাহাড়ে বসতি উচ্ছেদে কঠোর অবস্থানের কথাই বলছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি পাহাড়ে বিছিন্ন করা হয়েছে বিদ্যুৎসংযোগ। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘পাহাড়, গাছ কর্তনসহ বিভিন্ন কারণে প্রকৃতি আবার তার প্রতিশোধ নিচ্ছে এবং মানুষ মারা যাচ্ছে। ফলে আমাদের চিন্তা ভাবনায় আছে পাহাড় পাহাড়ের মতই থাকবে। আর পাহাড়ে বসবাসকারিদের সরিয়ে নিয়ে আসতে হবে।’

এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাহাড় ধসে মৃত্যু ঠেকাতে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রয়োজন প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম কমানো। এজন্য রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতাও জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট টিভি

x

Check Also

‘ধানের দাম বেশি, তাই চালেরও’

সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলির খুচরা ও পাইকারী বাজারে চালের দাম কেজিতে বেড়েছে তিন থেকে চার টাকা। করোনার মধ্যে হঠাৎ করে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা। মিল মালিকরা বলছেন, ...

সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ফ্লাড রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের করোনা কালিন সহায়তা প্রদান

গত ১৭ জুন ২০২০ তারিখে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় জুরিখফাউন্ডেশনের অর্থায়নে, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড এর সহযোগিতায় এসোড কর্তৃক বাস্তবায়িত ফ্লাড রেজিলিয়েন্স প্রকল্প’র মাধ্যমে উপজেলার দুইটি ইউনিয়নে (তারাপুর ও হরিপুর) এবং পৌরসভায় করোনা কালিন খাদ্য নিরাপত্তা ও ...

হাতিবান্ধা উপজেলায় এসোড ফ্লাড রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের করোনা কালিন সহায়তা প্রদান

গত ১৪ ও ১৫ জুন ২০২০ তারিখে লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলায় জুরিখ ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড এর সহযোগিতায় এসোড কর্তৃক বাস্তবায়িত ফ্লাড রেজিলিয়েন্স প্রকল্প’র মাধ্যমে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে (গড্ডিমারি, সিন্দুর্ণা,পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, সানিয়াজান ও সিঙ্গিমারী) করোনা ...

শিরোনামঃ