পরীক্ষামূলক প্রকাশনা - সাইট নির্মাণাধীন

Home > বাংলাদেশ > রাজধানী > কেমিক্যাল গোডাউন স্থানান্তর ১ মার্চ থেকে

কেমিক্যাল গোডাউন স্থানান্তর ১ মার্চ থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী ১ মার্চ থেকে পুরান ঢাকার কেমিক্যাল গোডাউনগুলো স্থানান্তরের কাজ শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘ফায়ার হ্যাজার্ডস ইন আরবান এরিয়া : চ্যালেঞ্জ অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন এ কথা জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর যৌথ উদ্যোগে এ বৈঠকের আয়োজন করে।

সাঈদ খোকন বলেন, ঢাকা মহানগরীর সব সমস্যাকে ধাপে ধাপে সমাধান করা হবে এবং একটি বাস্তবমুখী প্রস্তাব প্রস্তুত করে তা বাস্তবায়নে দুই সিটি করপোরেশন একসঙ্গে কাজ করবে।

রাজধানীর অগ্নিকাণ্ডগুলোর সঠিক তদন্ত ও কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হলে এসব ঘটনা অনেকাংশে কমে যেত বলে মনে করেন মেয়র। তিনি বলেন, ‘রাজধানীতে যখন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলো ঘটে তখন সবার মনে একটি ধোঁয়াশা তৈরি হয়, এটি কি কোনো দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা? অধিকাংশই মনে করেন এটি নাশকতা। পরে এ বিষয়ে তদন্ত হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো তদন্ত রিপোর্ট জাতির সম্মুখে প্রকাশ করা হয়েছে কিনা সেটি আমার জানা নেই। আমার কথা হচ্ছে, নাশকতাকারী সেই যেই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এবং সব তদন্তের রিপোর্ট স্বল্প সময়ের মধ্যে জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আইন অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সিটি করপোরেশনের অধীনে থাকার কথা। কিন্তু এ আইন মানা হচ্ছে না। আমি আশা করছি সরকার এ বিষয়ে জোরালো উদ্যোগ নেবে।’

জনগণের ফুটপাত জনগণকে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, আমরা মতিঝিল, গুলিস্তান ও তার আশপাশের এলাকাগুলোকে ফুটপাতমুক্ত করেছি। আগামীতে কোনোভাবেই যাতে হকাররা ফুটপাতে বসতে না পারে সে ব্যাপারে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে এবং থাকবে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের দুর্যোগ মোকাবেলা ও মানুষের জানমাল রক্ষায় দায়িত্ব পালন করায় তাদের প্রশংসা করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরে মানুষ আছে দেড় কোটি। সে অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিসের জনবল থাকার কথা ন্যূনতম সাত হাজার ৫০০। সেখানে আছে মাত্র ৫০০ জন। অপরদিকে ফায়ার স্টেশন থাকার কথা ৫২টি, সেখানে আছে মাত্র ১৩টি। বিভিন্ন পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি ফায়ার সার্ভিসের জনবল এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, যেসব কারণে অধিকাংশ অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটে তার প্রধান কারণ হলো ইলেক্ট্রিক্যাল সমস্যা। তাই মানসম্মত বৈদ্যুতিক তার ও ফিটিংস ব্যবহার করা প্রয়োজন এবং অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা নিয়মিত ভবনের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে জনসচেতনতার জন্য গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল পরিচালিত গোলটেবিল বৈঠকে অগ্নি প্রতিরোধক ও অগ্নিদুর্ঘটনা আরো জোরদার এবং বাস্তবায়ন করার বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। বৈঠকে দেশের বিশিষ্ট গবেষক, সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি এবং উন্নয়ন সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

x

Check Also

খালেদার সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে স্বজনরা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : কারান্তরীণ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে গেছেন তার পাঁচ স্বজন। শনিবার বিকেল পৌনে ৫টায় রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারে প্রবেশ করেন তারা। স্বজনদের মধ্যে রয়েছেন- খালেদা জিয়ার বোন, ...

ভারতকে নিয়ে কাদেরের বক্তব্য প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে : ফখরুল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : আগামী নির্বাচনে ‘ভারতের কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না’ বলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যে অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ...

হোমিও ও আয়ুর্বেদ চিকিৎসা আইন দ্রুত চূড়ান্ত করার নির্দেশ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : ‘বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি আইন’ এবং ‘বাংলাদেশ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতি আইন’ দ্রুত চূড়ান্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বুধবার সচিবালয়ে দেশীয় চিকিৎসক সমিতি, বাংলাদেশ ইউনানী আয়ুর্বেদিক ...

শিরোনামঃ