পরীক্ষামূলক প্রকাশনা - সাইট নির্মাণাধীন

Home > বাংলাদেশ > রাজনীতি > বাংলার মানুষ চায় আরেকটা নতুন শক্তির উত্থান হোক : বি চৌধুরী

বাংলার মানুষ চায় আরেকটা নতুন শক্তির উত্থান হোক : বি চৌধুরী

তীয় শক্তি নয় এদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন শক্তি হিসেবে আত্মশক্তি প্রকাশ করবে নতুন জোট। বিকল্পধারা, গণফোরাম, জেএসডি, কৃষক শ্রমিক জনতালীগ ও নাগরিক ঐকের সমন্বয় এই জোট ৩শ’ আসনে প্রার্থীও দিবে আগামী নির্বাচনে। প্রতিহিংসার বিপরীতে ইতিবাচক রাজনীতির অঙ্গিকার নিয়ে জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে খুব শিগিরই। এসব কথা জানিয়েছেন জোটের শীর্ষ নেতারা।

নির্বাচনের আগে জোটের রাজনীতির প্রবণতা এ অঞ্চলে বেশ পুরনো। পাকিস্তান কেন্দ্রীয় পরিষদের ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো যুক্তফ্রন্ট গঠন করে ক্ষমতাশীল মুসলিম-লীগকে উড়িয়ে দিয়েছিল।

স্বাধীন বাংলাদেশেও জোট কম হয়নি। ১৪ দল, মহাজোট, ২০ দলীয় জোট, ৫৯ দলীয় জোট ও বাম জোট। তবে জোট যতই হোক ক্ষমতা ঘুরপাক খায় দুটি শক্তিতে। এই বাস্তবতায় তৃতীয় শক্তি আভাস দিচ্ছে বিকল্প ধারা, গণফোরাম, জিএসডি, কৃষক শ্রমিক জনতালীগ ও নাগরিক ঐক্যের জোট।

তবে বিকল্প ধারার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলছেন, তৃতীয় নয় বরং নতুন শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে আমাদের জোট। এর লক্ষ্য হবে সত্যিকার অর্থে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে দেশে পরিচ্ছন্ন একটা রাজনীতি আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত আসেনি। তাই বাংলার মানুষ চায় আরেকটা নতুন শক্তির উত্থান হোক। যে মানুষগুলো পরীক্ষিত যারা যুবকদের স্বপ্ন দেখাবে এবং বিশ্বাসঘাতকতা করবে না। তিনি বলেন, আমার প্রথম, দ্বিতীয় তৃতীয়র মধ্যে নাই। আমাদের নতুন শক্তি বলতে পারেন। জোটের লিঁয়াজো কমিটির সমন্বয়কারীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে। ইতিমধ্যে তারা নানা সভা সামাবেশও করছেন। আসছে নির্বাচনে ৩শ’ আসনেই প্রার্থী দেবে বলে জানান, নতুন শক্তির উদ্যোক্তারা।

এই বিষয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, এটা শুধু নির্বাচনী জোট না। নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার, নাগরিক অধিকার এবং মুল্যবোধের অধিকারসহ জনগণ যাতে তাদের ভোট দিতে পারে। এটার জন্যই আমরা এই জোট তৈরি করলাম। অতএব ৩শ’ আসনেই আমরা এই জোটের পক্ষ থেকে আগামী নির্বাচন করবো। এছাড়াও তিনি মনে করে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভন নয়। তাই সব পক্ষের অংশগ্রহণেই নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে। কারণ, বর্তমান সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব নয়। অতএব আগামী নির্বাচনের আগে নিরপেক্ষ একটা সরকার দরকার বলে আমার মনে করি।

x

Check Also

ধর্ষণের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অবস্থান চান রওশন

ধর্ষণের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অবস্থান দরকার বলে মনে করেন বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ। বুধবার (০৭ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশজুড়ে একের পর এক ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। সেই সঙ্গে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক ...

যুবলীগকে মাঠে থাকার নির্দেশ

ঢাকা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে যুবলীগকে মাঠে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর নুর কমিউনিটি সেন্টারে যুবলীগ আয়োজিত জরুরি নির্বাচনী সভায় ...

‘আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না’

আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের সন্ত্রাস সৃষ্টি, জণভোগান্তি এবং জণমালের ক্ষতি সরকার মেনে নেবে না বলে বিএন‌পিকে সতর্ক করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। রোববার (০৪ অক্টোবর) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ত্রাণ ...

শিরোনামঃ