পরীক্ষামূলক প্রকাশনা - সাইট নির্মাণাধীন

Home > আমাদের রাজশাহী > ২০২১ সালের পর এদেশের কোন মানুষ বস্তি ও ছাপড়া ঘরে থাকবে না: লিটন

২০২১ সালের পর এদেশের কোন মানুষ বস্তি ও ছাপড়া ঘরে থাকবে না: লিটন

স্টাফ রিপোর্টার: আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনা অনুযায়ী ২০২১ সালের পর এদেশের কোন মানুষ বস্তি ও ছাপড়া ঘরে থাকবে না বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও নগর সভাপতি এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। শনিবার রাজশাহী কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের হীরক জয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, রাজশাহীকে স্বপ্নের নগরী করে গড়ে তোলার জন্য যা করার প্রয়োজন তিনি করবেন আর এই ক্ষেত্রে সকলের সাহায্য কামনা করে তিনি। আমাদের স্ব স্ব অবস্থান থেকে সবাইকে কাজ করতে হবে। সেই সাথে এই নগরীকে স্বপ্নের নগরী হিসেবে গড়ে তলার পুনরায় সুযোগ চান তিনি।

তিনি আরো বলেন, প্রায় দেড়’শত বছরে ধরে এই কলেজটি লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী বের হয়েছে গেছে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে মাধ্যমে দেশকে সেবা করেছে, জাতিকে সেবা করেছে। নিজ নিজ ক্ষেত্রে অবদার রেখেছে এবং অনেকে চলেও গেছে কিন্তু এই কলেজ তাঁর মান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। মানুষসৃষ্টির সেরা জীব। আমাদের নিজেদের স্বার্থেই পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে
প্রতিটি জীবের অস্তিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। বিভিন্ন বিপন্ন প্রাণী , গাছ সব কিছু রক্ষা করতে হবে। তা না হলে মানুষই বিপন্ন হয়ে যাবে, মানুষের অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়বে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসের মহা. হবিবুর রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তথা কথিত দূর্নীতির কথা বলে যখন বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতুর টাকা ফিরিয়ে নিলো তখন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন নিজ অর্থায়নে আমরা এটি করবো। একমাত্র বঙ্গবন্ধু কণ্যা বলেই এটি সম্ভব হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আরো বলেন, আগামী ৪ ফেবরুয়ারি রাজশাহী কলেজকে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে মাননীয় প্রধনমন্ত্রী শেখ হসিনা বঙ্গবন্ধু
আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পুরস্কৃত করবেন। বাংলাদেশ যেমন এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক তেমনি নানা সীমবদ্ধতা থাকা সত্বেও রাজশাহী কলেজও এগিয়ে যাচ্ছে। এতো বড় একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃজ্ঞাতা জ্ঞাপন করেন তিনি।

এর আগে কলেজ থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি নগরীর সোনদিঘী, সাহেব বাজার, জিরো পয়েন্ট, মনিচত্বর হয়ে পুনরায় কলেজে এসে শেষ হয়। পরে কলেজ চত্বরে কেক কেটে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমান । এছাড়াও আলোচনা সভা ও কলেজ মিলনায়তনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের
আয়োজন করা হয়।

প্রাণিবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. নাসিমা ইয়াসমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আল-ফারুক চৌধুরী। অনুষ্ঠানের আহবায়ক ছিলেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আলম।

x

Check Also

রাজশাহী অঞ্চলের ২০০ সাংবাদিককে প্রাধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা

করোনাকালিন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারি প্রনোদনা প্রদানের অংশ হিসেবে রাজশাহী অঞ্চলের ২০০ সাংবাদিকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ...

সর্বস্তরের শিক্ষার্থীর জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট দাবি

স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত সর্বস্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে অভিভাবক ঐক্য ফোরাম। বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক বিবৃতিতে ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদেরকে নামমাত্র মূল্যে ইন্টারনেট ...

এ বছর জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও হবে না

২০২০ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে এর আগে এ বছর কেন্দ্রীয়ভাবে ...

শিরোনামঃ