পরীক্ষামূলক প্রকাশনা - সাইট নির্মাণাধীন

Home > খেলা > রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা আনল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা আনল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ক্রীড়া ডেস্ক: গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে বাংলাদেশকে ৩ রানে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজে সমতা আনল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ওয়ানডে সিরিজ জিততে বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল ২৭২ রান। ৬ উইকেট হারিয়ে ২৬৮ রান করে বাংলাদেশ। এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭১ রান করে।

বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ৩০ মিনিটে ম্যাচটি শুরু হয়েছিল। সরাসরি সম্প্রচার করছিল গাজী টেলিভিশন ও চ্যানেল নাইন।

স্কোর: বাংলাদেশ ২৬৮/৬, ৫০ ওভার (মোসাদ্দেক ৩, মাশরাফি ১)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৭১/১০, ৫০ ওভার (আলজারি জোসেফ ১*)

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ: আধুনিক ক্রিকেটে হাতে ৫ উইকেট রেখে ৬ বলে ৮ রান কিছুই না। কিন্তু এ রানটা বাংলাদেশের জন্য পাহাড় সমান হয়ে দাঁড়াল! প্রথম বলে সেট ব্যাটসম্যান মুশফিককে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ। হোল্ডারের করা পরের দুই বলে রান নিতে ব্যর্থ মোসাদ্দেক। পরের বলে মোসাদ্দেকের ২ রান। পঞ্চম বলে আরও ১ রান।

শেষ বলে অধিনায়ক মাশরাফির মুখোমুখি হোল্ডার। ১ বলে দরকার ৫ রান। ছক্কা হলে জিতবে বাংলাদেশ আর চার হলে ম্যাচ ড্র। কিন্তু হোল্ডারের ইনসুইং ডেলিভারীতে ব্যাটে বল লাগিয়ে ১ রান নিতে পারলেন মাশরাফি। ৩ রানের রুদ্ধশ্বাস জয় তুলে নিল ক্যারিবীয়রা। আর এ জয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ ১-১ এ সমতা আনল প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ম্যাচে ফেরালেন হোল্ডার: ৪৯তম ওভারের শেষ বলে সাব্বির আউট। ৫০তম ওভারের প্রথম বলে মুশফিক। বিপদে বাংলাদেশ। শেষ ওভারের প্রথম বলে মিড উইকেটে ক্যাচ দিলেন বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৮ রান করা মুশফিক। হোল্ডারের ফুলটস বল চাইলেই ধীরস্থির হয়ে খেলতে পারতেন। কিন্তু ভুল শট খেলে বিপদ ডেকে আনলেন মুশফিক। শেষ ৫ বলে বাংলাদেশের দরকার ৮ রান।তার আউটের সময় বাংলাদেশের রান ৬ উইকেটে ২৬৪।

সাব্বির সাজঘরে: কেমো পলের বল সুইপ করতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দেন সাব্বির রহমান। ১১ বলে ১২ রান করে আউট হন সাব্বির। তার আউটের সময় বাংলাদেশের রান ৫ উইকেটে ২৬৪। শেষ ৬ বলে ৮ রান লাগবে বাংলাদেশের।

মুশফিকের হাফ সেঞ্চুরি: ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ২৯তম হাফ সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন মুশফিক। ৫৬ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় মাইলফলকে পৌঁছেছেন মুশফিক।

রান আউটে জমে উঠল ম্যাচ: শেষ ৩০ বলে ৪০ দরকার বাংলাদেশের। ৪৬তম ওভারের প্রথম বলে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মুশফিক-মাহমুদল্লাহর ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট মাহমুদউল্লাহ। হোল্ডারের বল ব্যাটে লাগাতে পারেনি মুশফিক। মাহমুদউল্লাহ রান নেওয়ার জন্য কল দিয়ে দৌড়ে দেন। কিন্তু মুশফিক প্রথমে মাহমুদউল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরবর্তীতে আবার পিছু পা হন। নার্স বল কুড়িযে দেন হোল্ডারকে। একহাতে বল লুফে স্টাম্প ভাঙেন হোল্ডার। রান আউটে কাটা পড়ে মাহমুদউল্লাহর ৫১ বলে ৩৯ রানের ইনিংস। তার আউটের সময় বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ২৩২।

দুইশ রান পেরিয়ে বাংলাদেশ: ৪০তম ওভারের তৃতীয় বলে দুইশ রান ছুঁয়েছে বাংলাদেশ। মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে টাইগাররা।

জীবন পেলেন মাহমুদউল্লাহ: লেগ স্পিনার বিশুর ঘূর্ণিতে দিশেহারা বাংলাদেশ। ৩৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে মাহমুদউল্লাহ স্লিপে ক্যাচ দেন বিশুর বলে। ১৫ রানে থাকা মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ মিস করেন গেইল।

দেড়শ পেরিয়ে বাংলাদেশ: নার্সের হাফ ভলি বল স্লগ সুইপ করে মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা বানান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১৪৮ এ থাকা দলীয় রানে যোগ হয় আরও ৬ রান। ৩১.২ ওভারে দেড়শ ছাড়িয়েছে বাংলাদেশের রান।

বাজে শটে সাকিব সাজঘরে: স্ট্রাইক রোটেট করতে পারছিলেন না ঠিকমতো। বাড়ছিল চাপ, বাড়ছিল ডটবল সংখ্যা। অনেক কিছুর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু কিছুই হচ্ছিল না। শেষমেশ বাজে এক শটে ইনিংসের ইতি টানলেন সাকিব। তামিমের মতো হাফ সেঞ্চুরির পর সাজঘরে ফিরলেন সাকিব। আশলে নার্সের অফস্টাম্পের বাইরের বল কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে ক্যাচ দেন। ৭২ বলে ৫৬ রান করেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ৫টি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন সাকিব। তার আউটের সময় বাংলাদেশের রান ৩ উইকেটে ১৪৫।

সাকিবের হাফ সেঞ্চুরি: ৬২ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। ৪টি চারে ইনিংসটি সাজিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার ৩৯তম হাফ সেঞ্চুরি। তবে হাফ সেঞ্চুরি পাওয়ার পরের বলে বিশুর আবেদনে তাকে এলবিডব্লিউ দিয়েছিলেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান সাকিব।

তামিম-সাকিবের জুটি ভাঙলেন বিশু: ২৫তম ওভারে বোলিংয়ে এসে তামিম ও সাকিবের ৯৭ রানের জুটি ভাঙলেন লেগ স্পিনার দেবেন্দ্র বিশু। হাফ সেঞ্চুরির স্বাদ পাওয়া তামিম এগিয়ে এসে বড় শট নিতে গিয়ে বল মিস করেন। স্ট্যাম্পড হয়ে তামিম ফিরে আসেন ৫৪ রানে। ৮৫ বলে মাত্র ৬ বাউন্ডারিতে ইনিংসটি সাজান দেশসেরা ওপেনার। তামিমের আউটের সময়ে বাংলাদেশের রান ২ উইকেটে ১২৯।

তামিমের হাফ সেঞ্চুরি: ২১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে কভারের ওপর দিয়ে বাউন্ডারি হাঁকালেন তামিম। পরের বল লং অনে ঠেলে ১ রান তামিমের। পৌঁছে গেলেন ৫০ রানে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার ৪২তম হাফ সেঞ্চুরি। ৭১ বলে ৬ বাউন্ডারিতে হাফ সেঞ্চুরি তুলেছেন তামিম।

শতরানের ‍চূড়ায় বাংলাদেশ: কেমো পলের শর্ট বল পুল করে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠালেন তামিম। ৯৬ থেকে বাংলাদেশের রান পৌঁছে যায় তিন অঙ্কে। ১৪.৫ ওভারে দলীয় শতকের স্বাদ পায় বাংলাদেশ।

সাকিব-তামিমের আরেকটি ‘পঞ্চাশ’: এনামুল ফিরে যাওয়ার পর তিনে ব্যাটিং আসেন সাকিব। তামিমের সঙ্গে ফের জুটি বেঁধেন সাকিব। এরই মধ্যে পঞ্চাশ রানের জুটি গড়েছেন তারা। ৫৪ বলে জুটির পঞ্চাশ রান পূর্ণ করেছেন সাকিব-তামিম। এ নিয়ে নবমবারের মতো পঞ্চাশ রানের জুটি গড়লেন তারা।

দলীয় হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড: মাত্র ২৮ বলে দলীয় হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছে বাংলাদেশ। এটি বাংলাদেশের দলীয় দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরি। বিশাল সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পেয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ের এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে জয় পাওয়া সম্ভব বাংলাদেশের।

ঝোড়ো শুরুর পর সাজঘরে এনামুল: দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেওয়ার চেষ্টায় ঝোড়ো ব্যাটিং করেন ওপেনার এনামুল হক বিজয়। কিছুটা সফল হয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ২ চার ও ২ ছক্কায় স্কোরবোর্ডে মাত্র ৮ বলে যোগ করেন ২৩ রান। এরপরই পথ হারালেন। আলজারি জোসেফের বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে বোল্ড হন এনামুল। তার আউটের সময়ে বাংলাদেশের রান ১ উইকেটে ৩২।

লক্ষ্য ২৭২ রান: গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে এর আগে তিনটি দিবারাত্রির ম্যাচ হয়েছিল। তিন ম্যাচের দুটিতেই জিতেছিল পরে ব্যাটিং করা দল। অতীত পরিসংখ্যান বাংলাদেশকে আত্মবিশ্বাসী করতেই পারে। টাইগারদের লক্ষ্য ২৭২ রান। আজ জিতলেই সিরিজ জিতে যাবে মাশরাফির দল।

সিমরনের বীরত্বে আত্মবিশ্বাসী ওয়েস্ট ইন্ডিজ: রান আউটে শেষ সিমরনের বীরত্বগাথা সেঞ্চুরি। একাই লড়াই করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে লড়াকু সংগ্রহ এনে দিয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ৯৩ বলে ১২৫ রান করেছেন সিমরন। ৩ চার ও ৭ ছক্কায় সাজিয়েছেন ইনিংসটি। তার বীরত্বে জয়ের স্বপ্ন দেখছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

রুবেলের ২২ রান: ৪৯তম ওভারে ২২ রান খরচ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় সংগ্রহ পেতে সুযোগ করে দিয়েছেন রুবেল হোসেন। তার করা প্রথম দুই বলে ২ ছক্কা আদায় করেন হেটমায়ার। পরের ৪ বলে দেন আরও ১০ রান। ৩ উইকেট নিয়ে ভালো বোলিং করলেও শেষ ওভারে বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিয়েছেন ডানহাতি পেসার। এর আগেও শেষ প্রান্তে এরকম বেহিসেবী বোলিং করেছেন রুবেল। নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে এক ওভারে ২২ রান দিয়ে ভারতকে জয় উপহার দেন ডানহাতি পেসার!

৪৯তম ওভারে প্রথম ওয়াইড: নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বোলাররা আলো ছড়িয়েছে ম্যাচের শুরু থেকে। সঠিক লাইন ও লেন্থ মেনে বোলিং করেছিলেন বোলাররা। ৪৯তম ওভারে অতিরিক্ত খাত থেকে প্রথম রান পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অফস্টাম্পের বাইরে ফুলটস বল করেন ‍রুবেল। ওই ওভারে আরও একটি ওয়াইড ও নো বল করেন রুবেল।

মুস্তাফিজের বলে বোল্ড বিশু: ইনসাইড এজ হয়ে মুস্তাফিজের বলে বোল্ড দেবেন্দ্র বিশু। মুস্তাফিজের এটি দ্বিতীয় সাফল্য। বিশুর আউটের সময়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৯ উইকেটে ২৪২।

সিমরনের সেঞ্চুরি: একাই লড়লেন সিমরন হেটমায়ার। ২২ গজের ক্রিজে দাপট দেখিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি পেতে মাত্র ৮৪ বল খেলেন হেটমায়ার। তার ব্যাটেই বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চলতি বছরের শুরুতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন সিমরন।

রুবেলের তৃতীয় সাফল্য: আগের ওভারে রুবেলের বলে সিমরনের ক্যাচ ছাড়েন সাকিব। নয়তো ওই ওভারেই তৃতীয় উইকেটের স্বাদ পেতেন রুবেল। নিজের অষ্টম ওভারে ভাগ্যকে পাশে পেলেন রুবেল। কেমো পলকে মুশফিকের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে তৃতীয় উইকেটের স্বাদ পান ডানহাতি পেসার। তার আউটের সময়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৮ উইকেটে ২৪১।

নার্সকে ফেরালেন মুস্তাফিজ: মুস্তাফিজের স্লোয়ার ডেলিভারীতে তুলে মারতে গিয়ে থার্ড ম্যান অঞ্চলে ক্যাচ দেন আশলে নার্স। ৮ বলে ৩ রান করেন নার্স। তার আউটের সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৭ উইকেটে ২৩৬।

সাকিবের প্রথম উইকেট: সাকিবের বলে ছক্কা মারার পরের বলেই আবার বড় শট খেলতে যান জেসন হোল্ডার। এগিয়ে এসে চেষ্টাও করেছিলেন। কিন্তু বল মিস করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক। স্টাম্পিংয়ের সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেননি মুশফিক। ৫ বলে ৭ রান করেন হোল্ডার। তার আউটের সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৬ উইকেটে ২২৪।

সাকিবের হাতে জীবন পেলেন সিমরন: উইকেট বঞ্চিত রুবেল, বাংলাদেশ! দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার সাকিবের হাত থেকে ফসকে গেল ক্যাচ। সেটাও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা ব্যাটসম্যান সিমরন হেটমায়ারের। রুবেলের শর্ট বলে পুল করেছিলেন হেটমায়ার। মিড উইকেটে দাঁড়ানো সাকিবের হাত ফসকে বল যায় বাউন্ডারির বাইরে। আনলাকি রুবেল, লাকি সিমরন। ৭৯ রানে জীবন পান বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

শতরানের জুটিতে প্রতিরোধ: পঞ্চাশ রানের জুটিকে শতরানে রূপ দিয়েছেন সিমরন হেটমায়ার ও রভম্যান পাওয়েল। বলের সঙ্গে পাল্লা নিয়ে ব্যাটিং করে ১০৬ বলে তিন অঙ্কে পৌঁছায় তাদের জুটি। রুবেলের বলে ৪৩তম ওভারে রভম্যান আউট হলে ভাঙে তাদের ১০৩ রানের জুটি। বড় শট খেলতে গিয়ে রুবেলের বলে বোল্ড হন ৬৭ বলে ৪৪ রান করা রভম্যান। তার আউটের সময়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৫ উইকেটে ২০৫।

দুইশ রানের চূড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৪১.২ ওভারে দলীয় দুইশত রানের স্বাদ পেয়েছে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ। দেড়শ রান পেয়েছিল ৩৩.৪ ওভারে। পরের ৪৬ বলে স্বাগতিকরা পায় পঞ্চাশ রান।

সিমরনের হাফ সেঞ্চুরি: প্রথম ওয়ানডের পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন সিমরন হেটময়ার। ৫৪ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় হাফ সেঞ্চুরিতে পৌঁছান বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

স্বস্তির জুটি: ৬২ বলে ৫০ রানের জুটি গড়েছেন সিমরন হেটমায়ার ও রভম্যান পাওয়েল। পঞ্চম উইকেটে স্বস্তির জুটি পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাদের জুটিতে রানের চাকা সচল হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। আগের ম্যাচে ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়িয়েছিলেন সিমরন। এই ম্যাচেও দলের দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন প্রথম ওয়ানডেতে রানের খাতা খুলতে না পারা রভম্যান।

দেড়শ ছাড়িয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান: ৩৩.৪ ওভারে দলীয় দেড়শ রান ছুঁয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পঞ্চম উইকেটে জুটি বেঁধে দলের রানের চাকা সচল রেখেছেন সিমরন হেটমায়ার ও রভম্যান পাওয়েল।

প্রথম ওভারে রুবেলের উইকেট: প্রথম ওয়ানডেতে নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলে উইকেট পেয়েছিলেন রুবেল হোসেন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে উইকেট পেলেন পঞ্চম বলে। ২৪তম ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম বল থেকেই বাড়তি গতি পাচ্ছিলেন রুবেল। একই ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন শেষ বল পর্যন্ত। পঞ্চম বলে কাট করতে গিয়ে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দেন জেসন মোহাম্মদ। পেছনে মুশফিক দারুণ ক্যাচ ধরে বাংলাদেশকে চতুর্থ উইকেটের স্বাদ দেন। তার আউটের সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৪ উইকেটে ১০২।

শতরান পেরিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২৩তম ওভারের শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকালেন হেটমায়ার। ৯৬ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলীয় রান পৌঁছে যায় শতরানে। এর আগে ১১.৫ ওভারে স্বাগতিকদের রান পঞ্চাশ ছুঁয়েছিল।

বাজে শটে সাজঘরে হোপ: সাকিবের বলে বারবার পরাস্ত হচ্ছিলেন শাই হোপ। শেষ পর্যন্ত সাকিবেই বধ ডানহাতি ব্যাটসম্যান। অফস্ট্যাম্পের বাইরে টার্ণ করা বলে ব্যাট লাগিয়ে এক্সট্রা কভারে সাব্বিরের হাতে ক্যাচ দেন ৪৩ বলে ২৫ রান করা হোপ। তার আউটের সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৩ উইকেটে ৭৭।

মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ গেইল: প্রথম স্পেলে ৫ ওভারে ১৭ রান দিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৪তম ওভারে ফিরে এসেই মিরাজ পেলেন গেইলের উইকেট। অফস্পিনারের বলে সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন ৩৮ বলে ২৯ রান করা গেইল। তার আউটের সময়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ২ উইকেটে ৫৫।

পঞ্চাশ পেরিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ: মোসাদ্দেকের বলে সুইপ করলেন শাই হোপ। স্কয়ার লেগ দিয়ে মাটি কামড়ে বল যায় বাউন্ডারিতে। ৪৬ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান পৌঁছে যায় ৫০ রানে।১১.৫ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলীয় রান পঞ্চাশ ছুঁয়েছে।

সতর্ক ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দারুণ বাংলাদেশ: প্রথম পাওয়ার প্লে’তে সতর্ক ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্বাগতিকরা তুলেছে ৩৪ রান। হারিয়েছে ওপেনার এভিন লুইসের উইকেট। প্রথম দশ ওভার মাশরাফি ও মিরাজ ভাগাভাগি করে করেছেন। মাশরাফি পেয়েছেন এভিন লুইসের উইকেট। মিরাজও ছিলেন দুর্দান্ত। দশ ওভারে ডট বল ছিল ৪৫টি। দুই বোলারই ১৭ করে রান দিয়েছেন। মাশরাফি মেডেন না পেলেও মিরাজ পেয়েছেন ২টি।

আবারো লুইসকে ফেরালেন মাশরাফি: মাশরাফির হাত ধরে প্রথম সাফল্য পেল বাংলাদেশ। সপ্তম ওভারের প্রথম বলে মাশরাফির বলে এলবিডব্লিউ হন এভিন লুইস। ডানহাতি পেসারের সুইং করানো ডেলিভারীতের বল মিস করেন ১২ রান করা লুইস। রিভিউ নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন লুুইস। কিন্তু আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। প্রথম ওয়ানডেতেও লুইসকে আউট করেছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। তার আউটের সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ২৯।

টস: টস জিতে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রথম ম্যাচেও টস জিতেছিলেন মাশরাফি।

পরিবর্তন: প্রথম ওয়ানডের একাদশ নিয়েই খেলছে বাংলাদেশ। কোনো পরিবর্তন আনেনি মাশরাফি। আরেকবার সুযোগ পেলেন প্রথম ওয়ানডেতে ব্যর্থ হওয়া এনামুল হক বিজয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে একটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইনজুরির কারণে নেই অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল। তার জায়গায় আসছেন কেমো পল।

বাংলাদেশের একাদশ : তামিম ইকবাল, এনামুল হক বিজয়, সাব্বির রহমান, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ: ক্রিস গেইল, এভিন লুইস, শাই হোপ, জেসন মোহাম্মদ, সিমরন হেটমায়ার, জেসন হোল্ডার (অধিনায়ক), রভম্যান পাওয়েল, কেমো পল, দেবেন্দ্রা বিশু, আশলে নার্স ও আলজারি জোসেফ।

আজ জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের: একই মাঠে প্রথম ওয়ানডেতে ৪৮ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ জিতলেই সিরিজ জিতে যাবে টাইগাররা। ২০০৯ সালের সফরে সাকিবের নেতৃত্বে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের ‘পুচকে’ দলকে। এবার শক্তিশালী দলকে হারিয়ে সিরিজ জিততে মুখিয়ে মাশরাফির দল।

হেড টু হেড : ওয়ানডেতে দুই দল এর আগে মুখোমুখি হয়েছে ২৯ বার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ১৯টিতে, বাংলাদেশ জিতেছে ৮টি, বাকি দুই ম্যাচের ফল হয়নি। এর মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ম্যাচ হয়েছে ১০টি। যেখানে বাংলাদেশের জয় মাত্র ৪টি। সেটাও ২০০৯ সালে, খর্বশক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। বাকি ৭টিই জিতেছে ক্যারিবীয়রা।

x

Check Also

চোখ থাকবে ‘অধিনায়ক’ তামিমের দিকে

বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা জাতীয় দলের নেতৃত্বের পদ থেকে সরে দাঁড়ালে সেই জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হোন তামিম ইকবাল। জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়কত্ব পেলেও মাঠে নিজের নেতৃত্ব দেখানোর সুযোগই পাচ্ছিলেন না এই ওপেনার। ...

যে লিংকে দেখা যাবে মাহমুদউল্লাহ-শান্ত একাদশের ম্যাচ

দুপুর দেড়টায় মাঠে গড়াবে তিন দলের ওয়ানডে প্রতিযোগিতা ‘বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ’। মিরপুর শের-ই-বাংলায় মুখোমুখি হবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ একাদশ ও নাজমুল হোসেন শান্তর একাদশ। সীমিত পরিসরের এ প্রতিযোগিতায় খেলছেন জাতীয় দল ও এইচপির ক্রিকেটাররা। তামিম, মাহমুদউল্লাহ ...

সতীর্থদের জন্য ওয়ানডে অধিনায়কের যে বার্তা

দীর্ঘদিন পর মিরপুরে গড়াচ্ছে সাদা বলের ক্রিকেট। ব্যাট-বলের প্রতিযোগিতায় মেতে উঠবেন তামিম, মাহমুদউল্লাহ ও নাজমুলের একাদশ। জাতীয় দল ও এইচপির ক্রিকেটারদের নিয়ে রোববার (১১ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে তিন দলের ‘বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ’। প্রতিযোগিতায় নিজ ...

শিরোনামঃ