পরীক্ষামূলক প্রকাশনা - সাইট নির্মাণাধীন

Home > খেলা > এমন কারও ইনিংস থাকলে কিছুই করার থাকে না : সাকিব

এমন কারও ইনিংস থাকলে কিছুই করার থাকে না : সাকিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক : টানা দুটি বিপিএলের ফাইনালে হারের বেদনা সঙ্গী করলেন সাকিব আল হাসান।

গতবার সাকিবের ঢাকা ডায়নামাইটসের শিরোপা স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন ক্রিস গেইল। ক্যারিবীয় তারকার ৬৯ বলে অপরাজিত ১৪৬ রানের বিস্ফোরক ইনিংসে রংপুর রাইডার্স তুলেছিল ২০৬ রান। সেই রান তাড়া করতে নেমে ঢাকা থেমেছিল ১৪৯ রানে।

এবারের ফাইনালেও ঢাকাকে হারিয়ে দিয়েছেন মূলত একজন খেলোয়াড়- তামিম ইকবাল! নিজের প্রথম বিপিএল ফাইনালে কী দুর্দান্ত ইনিংসটাই না খেললেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। তামিমের ৬১ বলে অপরাজিত ১৪১ রানের অতিমানবীয় ইনিংসে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স তুলেছিল ১৯৯ রান। জবাবে ঢাকা থামে ১৮২ রানে।

গেইল ও তামিমের ইনিংস দুটিকেই টানা দুই ফাইনাল হারের সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন সাকিব। টানা দুই ফাইনাল হারের কষ্টটাও সংবাদ সম্মেলনে লুকোলেন না ঢাকার অধিনায়ক, ‘ফাইনালে এসে হেরে যাওয়া। অবশ্যই কষ্টকর। শেষ তিনটা ফাইনাল পরপর খেললাম। প্রথমটা জিতেছি, শেষের দুইটা হেরেছি। দুঃখ আছে একদিক থেকে। আরেকদিক থেকে চিন্তা করলে এমন কারও ইনিংস থাকলে কিছুই করার থাকে না। গতবার গেইলের ১৪৬, এবার তামিমের ১৪১। দুইটা ইনিংসে আমরা দুইটা ফাইনাল হেরে গেছি। এরপর চেষ্টা করতে হবে এমন ইনিংস যেন কেউ না খেলতে পারে।’

‘তামিম তো অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেছে। দুইটা বিপিএলে গেইল ও তামিমের ইনিংসই আমাদের হারের সবচেয়ে বড় কারণ। সেই সঙ্গে আমাদের কিছু ভুলও ছিল।’

ঢাকার জন্য একটা সময় জয় কঠিন ছিল না। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে উইকেট হারালেও দ্বিতীয় উইকেটে উপুল থারাঙ্গা ও রনি তালুকদারের শতরানের জুটিতে ৯ ওভারেই একশ পার করে ফেলেছিল ঢাকা। কিন্তু এ জুটি ভাঙার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা। ম্যাচটা জেতা উচিত ছিল বলে মনে করেন সাকিব।

‘১৯৯ রান করার পরও আমি বিশ্বাস করছিলাম এত ভালো উইকেটে এই রানটা করা সম্ভব। যে শুরুটা আমরা পেয়েছিলাম ৯ ওভারে আমাদের ১২০ (হবে ১০২) রান ছিল ১ উইকেটে। বাকি রান ১১ ওভারে ৯ উইকেট হাতে নিয়ে বেশিরভাগ দিনই করা সম্ভব। আমাদের পেছনের দিকে যে পাওয়ার হিটার ছিল, আমরা খুব আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। ওই সময় আমাদের রানটা চেজ করা উচিত ছিল। কিন্তু আমরা মোমেন্টাম হারিয়ে ফেলে থারাঙ্গা আউট হওয়ার পর থেকে। ১২ নম্বর ওভারের শেষ বলে আউট হয়। এরপর আমার আউট, রনির রান আউট অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

এবার ঢাকার বেশিরভাগ জয়ে বড় অবদান ছিল চার অলরাউন্ডারের- সাকিব নিজে, আন্দ্রে রাসেল, কাইরন পোলার্ড ও সুনীল নারিন। ফাইনালে চারজনের কেউই ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি। এটিকেও হারের অন্যতম কারণ বলছেন সাকিব, ‘আজকের ম্যাচে আমি, পোলার্ড, রাসেল, নারিন মিলে ২০ রানও করিনি। আমরা হেরেছি হয়তো ১৫ রানে (১৭)। আমাদের ওপরই যেহেতু দলটা অনেক নির্ভর করে। সেই দিক থেকে আমরা ফেল করেছি বলেই ম্যাচটা হেরে গেছি।’

x

Check Also

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুললো ভারতের মিডিয়া

রকিবুল হাসান যখন আনকোলেকারের বলটি ডিপ মিড উইকেটে পাঠিয়ে দিয়ে প্রান্ত বদল করতে শুরু করেছেন তখনই ডাগ আউট থেকে ভোঁ দৌড়ে বাংলাদেশের বাকি খেলোয়াড়রা মাঠে ঢুকে পড়ে। শুরু হয়ে যায় উদযাপন। কেউ স্ট্যাম্প নিতে কাড়াকাড়ি ...

বোনের মৃত্যু টলাতে পারেনি আকবরকে

দেশ থেকে আকবর আলী সব ঠিকঠাক দেখে গিয়েছিলেন। বড় বোন সুস্থ আছেন। যমজ সন্তানের অপেক্ষায় আছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ মঞ্চেও যখন ছিলেন তখনও সব ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু হুট করে একটি দুর্ঘটনা ঘটে যায় আকবরের জীবনে। ...

যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক: প্রথমবারের মতো যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশ পচেফস্ট্রুমে উড়িয়েছে বিজয়ের পতাকা। বাংলাদেশের আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ২১১ রান করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ৩৫ বল আগে ৬ উইকেটের বিশাল জয়ে ...

শিরোনামঃ